যেসব সার জীবের দেহ থেকে অর্থাৎ উদ্ভিদ বা প্রাণীর ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রস্তুত করা হয় সেগুলোকে জৈব সার বলে। এ সার ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণ ঘটে না।


জৈব সারের উপকারিতা

জৈব সারের উপকারিতা নিম্নরূপ :

(১) মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

(২) মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের উন্নতি হয়।

(৩) মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়।

(৪) মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

(৫) মাটি থেকে পুষ্টির অপচয় কম হয়।

(৬) মাটির উর্বরতা বাড়ে।

(৭) মাটির সংযুক্তির উন্নতি হয়।

(৮) ফসলের ফলন, উৎপাদন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায় এবং

(৯) মাটির পরিবেশ উন্নত হয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post