শব্দোত্তর কম্পনের সাহায্যে মানুষের দেহের অভ্যন্তরের ছবি তুলে রোগ নির্ণয় করার প্রক্রিয়াকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি (Ultrasonography) বলে।

আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে স্ত্রী রোগ, এছাড়া ভ্রূণের আকার, পূর্ণতা, ভ্রূণের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়। এর সাহায্যে জরায়ুর টিউমার, পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়। পিত্তপাথর, হৃদযন্ত্রের ত্রুটি এবং টিউমার সনাক্তকরণে ব্যবহার করা হয়।


এন্টিবায়োটিক ও এন্টিসেপটিক এর মধ্যে পার্থক্য কি?

এন্টিবায়োটিক ও এন্টিসেপটিক এর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলোঃ

এন্টিবায়োটিক

১. এন্টিবায়োটিক হচ্ছে জীবাণু প্রতিষেধক।

২. এটি ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

৩. এটি প্রাণীদেহের ভেতরে ব্যবহার করা হয়।

৪. সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর জীবাণু ধ্বংসের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

৫. উদাহরণ : পেনিসিলিন, নিওমাইসিন ইত্যাদি।


এন্টিসেপটিক

১. এন্টিসেপটিক হলো জীবাণু প্রতিরোধক।

২. এটি পানির সাথে মিশিয়ে বা স্প্রে করে ব্যবহার করা হয়।

৩. এটি প্রাণীদেহের বাইরের আবরণ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যবহার সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়।

৪. সংক্রমণ না হলেও জীবাণু প্রতিরোধের জন্য এটি প্রয়োগ করা যায়।

৫. উদাহরণ : ডেটল, স্যাভলন ইত্যাদি।

Post a Comment

Previous Post Next Post