যেসব অব্যয়ের সাথে বাক্যের অন্য কোনো পদের অন্বয় বা সম্মন্ধ থাকে না অথচ মনের নানারকম ভাব প্রকাশের সুবিধা হয়, এদেরকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। আ! কি বিপদ! ওগো, তোরা শুনে যা। আপনি না একজন কবি?


অনন্বয়ী অব্যয়ের প্রকারভেদ

অনন্বয়ী অব্যয়কে আবার চার শ্রেণিতে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন—

ক. সম্বোধনসূচক অব্যয় : যেসব অব্যয় দিয়ে সম্বোধন সূচিত হয়, সেগুলোকে সম্বোধনসূচক অব্যয় বলে। যেমন- ওহে বালক, এখানে আস। ওরে ছোকরা, কোথায় তুই? ‘ওগো আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে।’

খ. প্রশ্নবোধক অব্যয় : যেসব অব্যয় দিয়ে প্রশ্ন সূচিত হয়, সেগুলোকে প্রশ্নবোধক অব্যয় বলে। যেমন— তুমি কোথা হতে এসেছ? তুমি কেন সেখানে গিয়েছিলে? তিনি কবে ফিরে আসবেন?

গ. বাক্যালংকার অব্যয় : যেসব অব্যয় বাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে কেবল শোভা বাড়াতে সাহায্য করে, সেগুলোকে বাক্যালংকার অব্যয় বলে। যেমন– তার বুঝি থাকা হবে না। আমারে ভুলে যেয়ো না যেন।

ঘ. মনোভাব বা আবেগ প্রকাশক অব্যয় : যেসব অব্যয় সম্মতি, অসম্মতি, প্রশংসা, অনুমোদন, ঘৃণা, বিরক্তি, লজ্জা, ভয়, দুঃখ, বিস্ময়, আনন্দ প্রভৃতি মনোভাব প্রকাশ করে, সেগুলোকে মনোভাব বা আবেগ প্রকাশক অব্যয় বলে। যেমন— সাবাস, ঠিক বলেছ। মরি মরি, কি সুন্দর। হায়! আমার সর্বনাশ হলো।


আরো পড়ুনঃ-

১। বিশেষ্য পদ কী? বিশেষ্য পদ কত প্রকার ও কী কী?

২। যোজক কাকে বলে? যোজক কত প্রকার ও কি কি?

৩। সাধিত ধাতু কাকে বলে? সাধিত ধাতু কত প্রকার ও কি কি?

Post a Comment

Previous Post Next Post