পানি বিশুদ্ধকরণ হচ্ছে দূষিত পানিকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পরিশুদ্ধ করার প্রক্রিয়া। পানিতে বিভিন্ন ধরনের দূষিত পদার্থ মিশ্রিত থাকতে পারে।

পানি বিশুদ্ধ করার জন্য বেশকিছু পদ্ধতি রয়েছে৷ নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো:

১. ভৌত পদ্ধতি:

  • ছাঁকন
  • থিতানো পদ্ধতিঃ পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার একটি পদ্ধতি থিতানো। অবিশুদ্ধ পানিতে পটাশ এলাম বা ফিটকিরি ব্যবহারের মাধ্যমে পানিকে বিশুদ্ধ করা হয়। এক বালতি পানিতে ১ চামচ ফিটকিরি গুঁড়া যোগ করে আধা ঘণ্টা রেখে দিলে পানির সব অপদ্রব্য থিতিয়ে বালতির তলায় জমা হয়। তারপর উপর থেকে পানি অন্যপাত্রে ঢেলে আলাদা করা হয়। এভাবে অদ্রবণীয় দূষক দূর করা যায়।
  • পাতন পদ্ধতি

২. জৈব পদ্ধতি:

  • জৈব সক্রিয় কার্বন পদ্ধতি
  • Slow and filter পদ্ধতি।

৩. রাসায়নিক পদ্ধতি:

  • ক্লোরিনেশন (Chlorination) : পানিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার যোগ করলে উৎপন্ন ক্লোরিন জীবাণুকে জারিত করে মেরে ফেলে এভাবে পানিকে জীবাণুমুক্ত করার উপায়কে ক্লোরিনেশন বলে।

৪. অতিবেগুনী রশ্মি।

৫. পানি ফুটানো।

Post a Comment

Previous Post Next Post