একটি ওয়েবসাইটে তথ্য উপস্থাপন করার সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি হলো ট্রি বা হায়ারার্কিক্যাল পদ্ধতি। এ স্ট্রাকচারে ওয়েবপেজ গুলো এক বা একাধিক লেভেল পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হয়। ট্রি স্ট্রাকচারের প্রথম পেজকে হোমপেজ বা রুট নোড বলা হয়। এ ধরনের স্ট্রাকচার একজন ব্যবহারকারী সহজে বুঝতে পারে কোন অংশে তার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো রয়েছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠান বা কর্পোরেট লেভেল ওয়েবসাইট ডিজাইনের ক্ষেত্রে ট্রি স্ট্রাকচার ব্যবহার করে। ট্রি স্ট্রাকচার সাইট দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

১. সরল হাব স্ট্রাকচার।
২. জটিল হায়ারার্কিক্যাল স্ট্রাকচার।

১। সরল হাব স্ট্রাকচার: সরল হাব স্ট্রাকচারকে স্টার স্ট্রাকচার বলা হয়। কারণ এ স্ট্রাকচারে হোম পেজের পরে মাত্র একটি লেয়ার পর্যন্ত তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে। তাই সরল হাব স্ট্রাকচারকে সিঙ্গেল টায়ার হায়ারার্কি বলা হয়।

২। জটিল হায়ারার্কিক্যাল স্ট্রাকচার: জটিল হায়ারার্কিক্যাল স্ট্রাকচারে হোম পেজের পরে একাধিক লেভেল পর্যন্ত ওয়েবপেজ লিংক করা থাকে। এ স্ট্রাকচারকে বহুস্তর (Multi tired hierarchy) স্ট্রাকচারও বলা হয়।


আরো পড়ুনঃ-

১। এইচটিএমএল (HTML) পেজে ইমেজ যুক্ত করার নিয়ম কি?

২। হায়ারার্কিক্যাল ওয়েবসাইট কাঠামো বলতে কি বুঝায়?

৩। ওয়েব হোস্টিং কাকে বলে?

৪। ডোমেইন কত প্রকার ও কি কি?

৫। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট ও ডায়নামিক ওয়েবসাইটের পার্থক্য কি?

৬। ICANN কি? ICANN এর কাজ কি?

Post a Comment

Previous Post Next Post