সংজ্ঞাঃ কোনো মৌলের একটি পরমাণু হাইড্রোজেন অথবা তার সমতুল্য অন্য মৌলের যত সংখ্যক পরমাণুর সাথে সংযুক্ত হয় অথবা কোনো যৌগ হতে হাইড্রোজেনের যত সংখ্যক পরমাণু প্রতিস্থাপিত করতে পারে সেই সংখ্যাকে সেই মৌলের যোজনী বলে
যে সকল মৌলের যোজনী এক, সে সকল মৌলকে একযোজী মৌল বলা হয়। যেমন: হাইড্রোজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, সোডিয়াম প্রভৃতি। যে সকল মৌলের যোজনী দুই, তাদেরকে দ্বিযোজী মৌল বলা হয়। যেমন: অক্সিজেন, সালফার, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম। একইভাবে ত্রিযোজী, চতুর্যোজী মৌলসমূহ সংজ্ঞায়িত করা হয়।


ব্রাউনীয় গতির বৈশিষ্ট্য কী কী?
ব্রাউনীয় গতির বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলাো:
  • এই গতি স্বতঃস্ফূর্ত ও শাশ্বত। এই গতি কোনো দিনই বন্ধ হয় না।
  • এই গতি অবিরাম ও সম্পূর্ণ অনিয়মিত। দুটি গতি কখনোই একই প্রকার হয় না।
  • কণাগুলোর রাসায়নিক প্রকৃতি অর্থাৎ গঠনের উপর এবং পাত্রের কম্পনের অর্থাৎ নড়াচড়ার উপর এই গতি নির্ভর করে না।
  • কণাগুলোর আকারের উপর গতি নির্ভর করে। কণা যত ছোট হয় চঞ্চলতা তত বৃদ্ধি পায়।
  • তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কণার গতি বৃদ্ধি পায়। একই তাপমাত্রায় একই আকারের বিভিন্ন কণার গতি সমমাত্রায় থাকে।
  • মাধ্যমের সান্দ্রতার উপর এই গতি নির্ভর করে। মাধ্যমের সান্দতা যত কম কণার গতি তত বৃদ্ধি পায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post