ব্লু-টুথ সিস্টেমের মৌলিক উপাদান হলো পিকোনেট (Piconet)। ব্লু-টুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক গঠন করা সম্ভব হয় তার নাম পিকোনেট। একটি পিকো-নেট এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮টি যন্ত্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। সাধারণত, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি ডিভাইস সমূহের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানে এটি বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত।


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মধ্যে সম্পর্ক কী?

তথ্য প্রযুক্তির কাজ হচ্ছে তথ্যকে সংগ্রহ করে ইনফরমেশন তৈরি করা আর যোগাযোগ প্রযুক্তির কাজ হচ্ছে ইনফরমেশন বা তথ্যকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঠিকভাবে সঠিক সময়ে স্থানান্তর করা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বর্তমানকালে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী, প্রিয়জনের সাথে যোগাযোগ, ঘরে বসেই বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র উপভোগ ইত্যাদি সবই তথ্য প্রযুক্তির অবদান। তাছাড়া রিজার্ভেশন সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই টিকিট কিনতে পারি।

Post a Comment

Previous Post Next Post