যে সব (অতি অল্প পরিমাণ) পদার্থ নিজেদের ধর্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে আয়তনমাত্রিক বিশ্লেষণে রাসায়নিক বিক্রিয়ার শেষ বিন্দু বা সমাপ্তি বিন্দু নির্দেশ করে এবং বর্ণ পরিবর্তনের দ্বারা কোন দ্রবণের অম্লীয় বা ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ প্রকৃতি নির্দেশ করে তাদেরকে নির্দেশক বলে। উল্লেখ্য যে অধিকাংশ নির্দেশকই জৈব যৌগ। যেমন লিটমাস, ফেফথ্যালিন, মিথাইল অরেঞ্জ, মিথাইল রেড ইত্যাদি। নির্দেশক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- (ক) অম্ল-ক্ষারক নির্দেশক, (খ) জারণ-বিজারণ নির্দেশক, (গ) শােষণ নির্দেশক ইত্যাদি।


ডেসিমোলার দ্রবণ প্রমাণ দ্রবণ কেন?

যে দ্রবণের ঘনমাত্রা সঠিকভাবে জানা থাকে তাকে প্রমাণ দ্রবণ বলে। ডেসিমোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় 1 লিটার বা 1000 মিলি দ্রাবকে 0.1 মোল দ্রব্য দ্রবীভূত থাকে। ডেসিমোলার অর্থ কোন পদার্থের আণবিক ভরের এক দশমাংশ (0.1মোল) 1 লিটার দ্রাবকে দ্রবীভূত থাকলে তাকে ডেসিমোলার দ্রবণ বলে। এক্ষেত্রে দ্রবণের ঘনমাত্রা 0.1 mol/L বা 0.1M হয়।  যেহেতু ডেসিমোলার দ্রবণে নির্দিষ্ট আয়তনে দ্রব্যের পরিমান নির্দিষ্ট অর্থাৎ জানা থাকে।  একারণে ডেসিমোলার দ্রবণকে প্রমাণ দ্রবণ বলা হয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post